বাংলাদেশ নাগরিকের জন্য মালয়েশিয়ার কলিং ভিসা খোলার বিস্তারিত

 আপনি কি মালয়েশিয়া কলিং ভিসার নিয়ে ভাবছেন? কবে কলেজ খুলবে কবে করবেন নিয়োগ দিবে এগুলো নিয়ে চিন্তায় আছেন তাহলে এই আর্টিকেলটা আপনার জন্য। ২০২৬ সালের মালয়েশিয়া কলিং এবং লোক নিয়োগ কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। অবশেষে উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে শ্রমবাজার বাংলাদেশী জন্য মালয়েশিয়ার। দেশের সব কিছু ঠিক থাকলে খুব তাড়াতাড়ি বাংলাদেশী নাগরিকরা যেতে পারবেন।

বাংলাদেশ-নাগরিকের-জন্য-মালয়েশিয়ার-কলিং



 কলিং ভিসার জন্য দীর্ঘদিন ধরে অনেকে অপেক্ষা করছেন অবশেষে সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনের পর পরিস্থিতি অনেকটাই পরিষ্কার হয়েছে। শ্রমবাজার আসলে উন্মুক্ত হয়েছে কিনা মেডিকেল কবে থেকে শুরু হবে? এখন কি পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নিরাপদ হবে কিনা কবে থেকে ভিসা কার্যক্রম শুরু হবে? ইত্যাদি সম্পর্কে আপনারা ভাবছেন। 

এখন যেই কাজগুলো বাকি রয়েছে সেগুলো মূলত টেকনিক্যাল প্রসেসিং এবং এই প্রক্রিয়াগুলো সম্পূর্ণ হলে মেডিকেল কার্যক্রম শুরুর আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা আসবে। মালয়েশিয়ার জন্য অনবোধিত রিক্রুটিং এজেন্সি নিকট আইডি এবং পাসওয়ার্ড দেওয়ার হবে এবং এজেন্সি গুলো মেডিকেলের জন্য স্লিপ ইস্যু করতে পারবে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা আশা করা হচ্ছে আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে বা মাঝেমধ্যেই সময়ের মধ্যে এসব প্রক্রিয়া শেষ হবে।

পেইজ সূচিপত্র:বাংলাদেশ নাগরিকের জন্য মালয়েশিয়ার কলিং ভিসা খোলার বিস্তারিত

মালয়েশিয়া সুপার মর্কেট ও বেতন কত? 

মালয়েশিয়ার সুপার মার্কেটের যে কাজ ওই কাজটা হচ্ছে করেন ১২ মাস একই রকম থাকে। সুপার মার্কেটের কাজে আপনার কাজ হচ্ছে যে প্রত্যেকদিন কাস্টমার আসবে কাস্টমার এসে যে আইটেম গুলো কাস্টমার কিনবে ওইগুলো খালি হয়ে যাবে। ওইগুলো আপনার আবার নতুন করে ডিসপ্লে করতে হবে রেগুলার ভিতরে সাজাতে হবে। এই কাজে আপনার সাথে একদিন করে ছুটি থাকবে। কারণ একটি সুপার মার্কেটে প্রত্যেকদিন একটি নির্দিষ্ট সময় খোলা খোলা হয় এবং নির্দিষ্ট সময়ে বন্ধ করা হয়।

 আর মার্কেটে সব চেয়ে বড় কথা হচ্ছে এখানে আপনি সবার সাথে একদিন ছুটি কাটাতে পারবেন না কারণ একটি সুপার মার্কেট বারো মাস কিন্তু খোলা থাকে । যদি সবাই সবগুলো স্টাফকে একদিন ছুটি দিয়ে দিলে তাহলে মার্কেটের কাজ করবে কে? এক্ষেত্রে কোম্পানি মনে করেন আলাদা আলাদা দিনে আলাদা আলাদা লোকদের ছুটি দিয়ে থাকে । 
 

আরো পড়ুনঃবাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের আইডিয়া ও বাজেট সম্পর্কে ধারণা

মানে আগের দিন একেক জন ছুটি দিবে। এখন যদি আপনাকে বেতনের কথা বলি তাহলে মালয়েশিয়াতে কিন্তু সরকারি একটি বেসিক বেতন আছে যেটা আপনি সর্বনিম্ন বেতন পেয়ে যাবেন। যেমন কয়েক মাস আগে মালয়েশিয়া বেসিক বেতন ছিল ১৫০০ রিঙ্গিত আর এখন বর্তমানে 200 রিঙ্গিত বেড়ে সেটা ১৭০০ রিঙ্গিত হয়েছে।

ফ্যাক্টরির ও তার বেতন কেমন মালয়েশিয়াতে ?

ফ্যাক্টরির কাজে যদি আপনি মালয়েশিয়াতে আসেন তাহলেও কিন্তু মালয়েশিয়ার সরকারি বেসিক বেতন অনুযায়ী বর্তমানে আপনি ১৭০০ রিঙ্গিত সর্বনিম্ন বেসিক বেতন পেয়ে যাবেন। কিন্তু ফ্যাক্টরিতে কিন্তু মালয়েশিয়ার অধিকাংশ ফ্যাক্টরিতে কিন্তু ওভারটাইম বেশি থাকে ।যখন আপনি কোম্পানিতে বা যখন আপনার ফ্যাক্টরিতে বড় পরিমাণে কোন অর্ডার তখন আপনার ফেক্টরি বা আপনার কোম্পানির ৩০ মধ্যে ৩০ দিনে ডিউটি দিবে বা ৩০ দিনে ওভারটাইম থাকবে। তখন আপনি চাইলেও ছুটি কাটাতে পারবেন না ।ফ্যাক্টরির সিস্টেমটা কিন্তু এইরকম। ফ্যাক্টরিতে আমি বলব মার্কেটে তুলনায় কাজও আজও বেশি আপনি বেতন ইনকাম করতে পারবেন বেশি। তো আমি বলব আপনি যদি টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে ফ্যাক্টরি কাজে যেতে পারেন।

মালয়েশিয়াতে রেস্টুরেন্টের কাজ কেমন? 

আজকে আমরা আলোচনা করব মালয়েশিয়াতে রেস্টুরেন্টের কাজ কেমন, কি কাজ করতে হয়, বেতন কেমন। মালয়েশিয়াতে মূলত রেস্টুরেন্টের দুই সেক্টরে কাজ করা হয় ডাইনিং ও কিচেনে। ডাইনিং এর কাজ মূলত কাস্টমারের কাছে গিয়ে আপনি অর্ডার নিবেন এবং কাস্টমারের কাছে আপনি খাবার পৌঁছে দেবেন। কাস্টমার যদি আপনার কাছে কিছু চাই তাহলে আপনি সেই জিনিসটা কাস্টমারকে দিবেন এগুলোকে ডাইনিং এর কাজ বলে। কাস্টমার চলে যাওয়ার পর আপনি টেবিল পরিষ্কার করে দিবেন মূলত এটাই ডাইনিং এর কাজ বলে থাকে। 
বাংলাদেশ-নাগরিকের-জন্য-মালয়েশিয়ার-কলিং-ভিসা-খোলার-বিস্তারিত



এবার আসি কে কিচেনের কাজে মূলত আপনি যখন প্রথম রেস্টুরেন্টে কাজ শুরু করবেন তখন আপনাকে সেফর কাছে হেল্পার দেওয়া হতে পারে আপনি সেফকে হেল্প করবেন এরকম কোন কাজ দিতে পারে অথবা আপনাকে ডিশ ওয়াশিং সাইডে দিতে পারে। বেসওয়াসিং বলতে বোঝায় আপনি থালাবাসন পরিষ্কার করবেন এগুলোকে।

 আপনি কিচেন হেলপার হলে মনে করেন কোন কিছু কাটাকাটি শেফ আপনাকে কোন কিছু বলল আপনি সেটা শুনলেন মূলত এরকম ধরনের হয়ে থাকে কিচেন এর কাজ। এখন আসা যাক মালয়েশিয়াতে রেস্টুরেন্টের কাজে কত ঘন্টা কাজ করতে হয় আপনাকে বেসিক ৮ ঘণ্টা কাজ করতেই হবে দ্বিতীয় আদম ঘন্টার পরে আপনি যে কাজ করবেন সেটাকে অভার টাইম হিসেবে ধরা হয়। প্রতি ঘন্টায় ওভারটাইম হিসেবে আপনার বেতন দিবে।

কনস্ট্রাকশনের কাজ মালয়েশিয়াতে কেমন? 

আপনি যদি কনস্ট্রাকশনের কাজে মালয়েশিয়া তে যান সে ক্ষেত্রে আপনি ভালো একটা বেতন আশা করতে পারেন। মালয়েশিয়াতে কনর্স্ট্রাকশনের কাজে অনেক লোক নিয়োগ দিয়ে থাকে মালয়েশিয়াতে। কনস্ট্রাকশন এর কাজে বেতন ও অনেক বেশি থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি চাইলে কনস্ট্রাকশন সেক্টরে মালয়েশিয়াতে আসতে পারেন। এর বেসিক বেতন থাকে অনেক বেশি। কিন্তু কনস্ট্রাকশন কাজে গেলে আপনি নরমালি সে ভাবে ছুটি পাবেন না ৩০ দিন ৩০ দিনে আপনার কাজ থাকবে। 

কনস্ট্রাকশন কাজে আপনার বেসিক বেতন থাকতে পারে ১৮০০ থেকে ২০০০ রিঙ্গিত পর্যন্ত। কনস্ট্রাকশন কাজে রড মিস্ত্রি রং মিস্ত্রি এবং কে ঘর ওয়ারলিং কাজ আপনি করতে পারবেন। মালয়েশিয়া তে বেশিরভাগ সময় কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে মানুষ বেশি আসে সে ক্ষেত্রে আপনিও চাইলে কনস্ট্রাকশন সেক্টরে আসতে পারেন। অনেক সময় ওভার টাইমও থাকে আপনি চাইলে ওভারটাইম করে প্রতি মাসে বেতন আলাদা আলাদা বেতন বেশি নিতে পারবেন।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

টিপস পয়েন্ট ওয়ার্ল্ড নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url