মালয়েশিয়ার সকল বিষয়

 মালয়েশিয়া সকল বিষয়ে জানবো আমরা এই আর্টিকেলর মাধ্যমে। মালয়েশিয়া কোথাই অবস্থিত ? মালয়েশিয়া দক্ষিণ পূর্বে এশিয়া অবস্থিত একটি দেশ। যার দুটি প্রধান অঞ্চল হলো পেলেন সুলার মালয়েশিয়া ও বর্ণী মালয়েশিয়া । মালয়েশিয়ার রাজধানী হলো কুয়ালালামপুর

বর্তমানে মালয়েশির জনসংখ্যা প্রায় ৩ পয়েন্ট ৪ কোটি । মালয়েশিয়ার প্রধান ধর্ম হলো ইসলাম তবে হিন্দু , বৌদ্ধ খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারিও রয়েছে । এ দেশের সংস্কতি মালায় চাইনিজ ইন্ডিয়ান । এ দেশের জনপ্রিয় খাবারের মধ্যে রয়েছে নাসিলিমাগ রুটি চানাই সাতায় এবং লাক্সার  মালয়েশিয়ার মধ্যে হালাল খাবার পাওয়া খুব সহজ।

পেইজ সুচিপত্র

মালয়েশিয়া যে ৪  টি কাজে বেতন বেশি 

(১) মালয়েশিয়া পাম বাগানের কাজের কথা প্রথমে বলি মালয়েশিয়াতে কিন্তু প্রচুর পাম বাগান আছে  এই পাম বাগানের অনেক চাহিদা । পাম বাগানের কারণেই কিন্তু মালয়েশিয়াতে এতো উন্নতি হয়েছে । আপনি যদি পাম বাগানের কাজের জন্য আসেন তাহলে নতুন অবস্থায় আপনার মাসিক সেল্যারি ধরা হবে ১৭০০ রিংগিত  এবং আপনি অভার টাইম ২ থেকে ৩ ঘণ্টা  নরমালি পেয়ে জাবেন । আপনি যদি বেসিক বেতন আর অভার টাইম আভারেসে হিসেব করেন ২২০০ - ২৫০০ রিংগিত আপনি সহজেই পেয়ে জাবেন তাও নতুন অবস্থায় । আপনি যত বেশি কাজ করতে পারবেন বা পাম ফল কাটতে পারবেন তত বেশি ইনকাম করতে পারবেন । পাম বাগানে এভাবে  কন্টাকে কাজ করে প্রতি মাসে ৩০০০ - ৫০০০ রিংগিত পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন যা বাংলাদেশি টাকায় ১ লক্ষ ১ লক্ষ ৫০ হাজার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

(২) রোডের কাজ আর মালাইরা বলে থাকে বিচের কাজ  রোডের কাজও কিন্তু এক ধরণের কনস্ট্রাকশন কাজের মতোই খুব পরিশ্রমের কাজ বাংলাদেশে যেমন ছাদের কাজ বা পিলারের কাজ করে সেগুলো কে রোড মিস্ত্র বলে থাকে । রোডের কাজ যদি আপনি করেন তাহলে প্রতি মাসে ৬০ - ৭০ রিংগিত বেসিক বেতন ধরা হবে যার জন্য আপনাকে সকাল ৭থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত ডিউটি করা লাগবে । আপনি যদি সব ধরণের কাজ নকশা করতে পারেন তাহলে প্রতি মাসে ১'২০'০০০ থেকে ১'৫০'০০০  ইনকাম করতে পারবেন মালয়েশিয়াতে । 

(৩) ওয়েল্ডিং  এর কাজে যদি জেতে চান তাহলে অবশ্য আগে আপনাকে কাজ শিখে তারপর যেতে হবে  ওয়েল্ডিং এর কাজ দুই ধরণের একটা হছে কোম্পানি আর একটি ফ্রী ভিসা । কোম্পানির আন্ডারে কাজ করলে আপনি সব সময় কাজ করতে পারবেন । এই কাজের বেসিক বেতন হচ্ছে ২০০০-২৫০০ রিংগিত ।

(৪) ইলেক্টিকের কাজ আপনি যদি নতুন অবস্থায় আসে তাহলে ১৮০০-২০০০ রিংগিত নরমালি ইনকাম করতে পারবেন আর অভার টাইম সহ কারে যদি আপনি হিসাব করেন তাহলে ২৫০০-২৮০০ রিংগিত  প্রতি মাসে ইনকাম করতে পারবেন । আর আপনি যদি ইলেক্টোনিক মিস্ত্রি হতে পারেন তাহলে আপনি অভার টাইম সহ বেসিক বেতন সহ প্রতি মাসে ৩০০০-৪০০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন । 

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা 

মালয়েশিয়ার কলিং ভিসা কি ? কলিং ভিসা হচ্ছে মূলত একটি স্পন্সার  শিপ ভিত্তিক ভিসা  মানে হলো মালয়েশিয়া থাকা কোনো ব্যাক্তি , কোম্পানি বা রিক্রটিং এজেন্সি যদি আপনাকে কাজের জন্য কল বা আমান্ত্রণ পাঠাই সেই কলের ভিত্তিতে আপনি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই ভিসার মাধ্যমে যাওয়া যাই ফ্যাক্টাটি কাজ রেস্টুরেন্ট , ক্লিলার , গার্মেন্টস , প্লান্টিসণ সহ বিভিন্ন সেক্টরে । এই কলিং ভিসা সবাই পাই না ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী  বাংলাদেশিরা । যাদের শারীলিক ভাবে কাজ করার সক্ষমতা আছে , যাদের নামে কোনো আন্তর্জাতিক ব্লাকলিস্ট নেই , যাদের স্পন্সর বা কল লেটার আছে , যারা আগে থেকেই মালয়েশিয়া ডিপডস হয়েছে তারা বিশেষ ক্ষেত্রে বাদ পড়তে পারেন । 


কলিং ভিসার জন্য প্রয়েজনীয় কাগজ পত্র । ভিসা আবেদন করতে সাধারণত যেসব কাগজ পত্র লাগবে তা হল
  • বৈধ পাসপোর্ট কম পক্ষে এক বছর মেয়াদী ।
  • স্পন্সার বা কল লেট।
  • পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
  • মেডিকেল রিপোর্।
  • পুলিশ কিয়ারেন।
  • ভিসা আবেদন ফর।
  • প্রয়জনীয় কাজের অভিজ্ঞতার কাগজ ।
মনে রাখবেন সব কাগজ সঠিক এবং সত্য হতে হবে ভুল হলে ভিসা রিজেক্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে । মালয়েশিয়া কলিং ভিসা করতে সাধারণত ৪ থেকে ৬ লক্ষ টাকার মধ্যে কাজের ধরণ ও স্পন্সারের উপর নির্ভর করে । ভুয়া এজেন্সসি বুঝবেন কি ভাবে  কেউ যদি  ১০ - ১২ লক্ষ টাকা দাবি করে তাহলে বুঝবেন ভুয়া বা প্রতারণা । এই কলিং ভিসা চালু হাওয়া মানে বৈধ ভাবে মালয়েশিয়া জাওয়ার সুযোগ । ভালো আয়ের সম্ভাবনা ।

মালয়েশিয়া  কোন কাজের চাহিদা বেশি

মালয়েশিয়া বেশি চাহিদা হলো ইলেক্টেশিয়েন । ইলেক্টেশিয়েন কাজে দক্ষ হতে হবে টুকটাক কাজ যানলে হবে না ।আপনি যদি এই কাজে দক্ষ হতে পারেন তাহলে আপনার পক্ষেই ভালো হবে ।তখন আপনি খুব সহজেই কাজ পেয়ে জাবেন এবং বেশি টাকাও ইনকাম করতে পারবেন । প্রতি মাসে আপনি লক্ষ টাকা বাড়িতে পাঠাইতে পারবেন। মালয়েশিয়া তে ইলেক্টিক কাজ খুব ভালো একটা ভুমিকা পালন করে । 

আপনি যদি মনে করেন এই ইলেক্টিশিয়েন কাজের ভিসাই যাবেন তাহলে অবশ্য একটি ভালো কোম্পানিতে যাবেন তাহলে আপনার কাজ পেতে সুবিধা হবে । 


মালয়েশিয়া যেতে কত বছর বয়স লাগে

আমাদের বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায় ১৮ বছর বয়স হলে আপনি বাহিরের দেশে যেতে পারবেন। মালয়েশিয়াতেও এমন নিয়ম যে ১৮ বছরের উপর ৩৫-৪০ যদি বয়স  থাকে আপনার তাহলে আপনি যেতে পারবেন । যদিও উল্লেক আছে যে ১৮ বছর হলে যেতে পারবে তাও মালয়েশিয়ার কিছু এজেন্সি আছে যারা ২০ বছর না হলে ভিসা দিতে চাই না । অনেক কোম্পানিতে নিতে চাই না ২০ বছরের নিচে ।


মালয়েশিয়া যাওয়ার সুবিধা ও অসুবিধা

বর্তমান সময় বাংলাদেশি দের প্রায় মানুষ এখন মালয়েশিয়া যায় এবং যেতে চাই । মালয়েশিয়া জীবন যাত্রার জন্য ভালো একটি রাষ্ট্র বলে আমি মনে করি । মালয়েশিয়াতে হালাল খাবার পাওয়া যাই বাংলাদেশিরা খুব সহজেই হালাল খারাব পেয়ে যাই । ভালো আয় করা এবং ভালো কাজের জন্য মালয়েশিয়া একটি দেশ । মালয়েশিয়াতে প্রতি বছর অনেক মানুষ টুরিস্ট ভিসায় আসে ঘুরার জন্য। শুধু সুবিধা না অসুবিধাও আছে  । অসুবিধার মধ্যে হলো ফ্রী ভিসা হলে প্রতি বছর ভিসা লাগাইতে হয় মানে টাকা পেমেন্ট করা লাগে।



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

টিপস পয়েন্ট ওয়ার্ল্ড নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url